(প্রিয়.কম) :
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে নাকি সূর্যই পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে, চাঁদের
আলোটি সূর্যের ধার করা নাকি একেবারেই নিজস্ব অথবা পৃথিবী কিভাবে তৈরি হল
এমন অদ্ভুত সব ঘটনার রহস্যকে মানবজাতির সামনে উন্মোচন করেছেন মহান সব
ব্যক্তিত্বরা। আধুনিক যুগের এই বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর প্রায় সব ধরনের রহস্যেরই
একটা মীমাংসা করে এসেছেন। কিন্তু রহস্যময় এই পৃথিবীতে প্রাচীনকাল থেকে এমন
বহু ঘটনা ঘটে গেছে যার কোনো অস্তিত্ব আজ অবধি খুঁজে পাওয়া যায় নি। ঘটনার
পেছনের সঠিক কারণকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। আমাদের এবারের বিষয়
প্যানক্সিয়ান গুহা।
প্রাচীন নৃতত্ত্ববিদ লিনে স্কেপার্টজ বলেন, ‘গুহাটিতে এই প্রাণীগুলো বসবাস করা কোনোভাবে সম্ভব ছিল না। কেননা গুহাটি অনেক উঁচুতে যেখানে ওঠা এইসব বড় বড় প্রাণীদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। প্রাণীগুলো নির্জনতা পছন্দ করে ঠিকই কিন্তু গুহাটি কোনোভাবেই তাদের জন্য উপযুক্ত ছিল না। তাও আবার মানুষের সাথে একই গুহায় থাকা এটা কল্পনাও করা যায় না।’
তবে এই বিষয়ে এমন আশংকা করা যেতে পারে যে, হতে পারে গুহাটিতে বসবাসকারী মানুষেরাই নিজেদের খাবার সংগ্রহের জন্য কোনো উপায়ে এই প্রাণীগুলোকে হত্যা করে টেনে গুহাটির মধ্যে নিয়ে যায়। গুহাটিতে পড়ে থাকা হাড়গুলো এটাই প্রমাণ করে যে হয়ত তারা এই প্রাণীগুলোকে পুড়িয়ে আহার করেছিল।
গুহাটির ভেতরে সর্বশেষ অভিযান চালানো হয় ১৯৯৮ সালে। তবে সেখানে কোনো ধরনের প্রমাণ পাওয়া সম্ভব হয়নি যে এত বড় বড় প্রাণীগুলো কিভাবে গুহার ভেতরে প্রবেশ করতে পারল বা নিয়ে যাওয়া সম্ভব হল?
৩. প্যানক্সিয়ান গুহা :
প্যানক্সিয়ানের ডেডং গুহাটি প্রায় ৩০০,০০০ বছর আগের মানুষদের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। বন্য জীবজন্তু অধ্যুষিত এলাকার একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় ছিল এই গুহাটি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বেশ অবাক হয়ে যান যখন তারা গুহাটির ভেতর থেকে আবিষ্কার করেন গন্ডার বা প্রাগৈতিহাসিক ভয়ংকর সব জীবজন্তুর বিভিন্ন ধরনের হাড়। সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় ১৬০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত গুহাটিতে এসব জন্তুর মরদেহ আবিষ্কার করে তারা বেশ বিষ্ময়ে অভিভূত হন।প্রাচীন নৃতত্ত্ববিদ লিনে স্কেপার্টজ বলেন, ‘গুহাটিতে এই প্রাণীগুলো বসবাস করা কোনোভাবে সম্ভব ছিল না। কেননা গুহাটি অনেক উঁচুতে যেখানে ওঠা এইসব বড় বড় প্রাণীদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। প্রাণীগুলো নির্জনতা পছন্দ করে ঠিকই কিন্তু গুহাটি কোনোভাবেই তাদের জন্য উপযুক্ত ছিল না। তাও আবার মানুষের সাথে একই গুহায় থাকা এটা কল্পনাও করা যায় না।’
তবে এই বিষয়ে এমন আশংকা করা যেতে পারে যে, হতে পারে গুহাটিতে বসবাসকারী মানুষেরাই নিজেদের খাবার সংগ্রহের জন্য কোনো উপায়ে এই প্রাণীগুলোকে হত্যা করে টেনে গুহাটির মধ্যে নিয়ে যায়। গুহাটিতে পড়ে থাকা হাড়গুলো এটাই প্রমাণ করে যে হয়ত তারা এই প্রাণীগুলোকে পুড়িয়ে আহার করেছিল।
গুহাটির ভেতরে সর্বশেষ অভিযান চালানো হয় ১৯৯৮ সালে। তবে সেখানে কোনো ধরনের প্রমাণ পাওয়া সম্ভব হয়নি যে এত বড় বড় প্রাণীগুলো কিভাবে গুহার ভেতরে প্রবেশ করতে পারল বা নিয়ে যাওয়া সম্ভব হল?
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে নাকি সূর্যই পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে, চাঁদের
আলোটি সূর্যের ধার করা নাকি একেবারেই নিজস্ব অথবা পৃথিবী কিভাবে তৈরি হল
এমন অদ্ভুত সব ঘটনার রহস্যকে মানবজাতির সামনে উন্মোচন করেছেন মহান সব
ব্যক্তিত্বরা। আধুনিক যুগের এই বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর প্রায় সব ধরনের রহস্যেরই
একটা মীমাংসা করে এসেছেন। কিন্তু রহস্যময় এই পৃথিবীতে প্রাচীনকাল থেকে এমন
বহু ঘটনা ঘটে গেছে যার কোনো সমাধান আজ অবধি খুঁজে পাওয়া যায় নি। ঘটনার
পেছনের সঠিক কারণকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। আমাদের এবারের আয়োজন পৃথিবীর
অমীমাংসিত এসব প্রাচীন রহস্য আলোচনা।
প্রাচীনকালে অনেক ধরনের বিশ্বাস মানুষের মাঝে প্রচলিত ছিল। এমনই একটি
বিশ্বাস ছিল সমাধিক্ষেত্রের এই ল্যাম্পটিকে ঘিরে। বিশ্বাসটি ছিল এরকম যে
যেই মৃত ব্যক্তির সমাধিতে প্রজ্জ্বলিত ল্যাম্পটি নিভে যেত সে পুনরায়
পৃথিবীতে আসত এবং জনগণ তাকে কপট পৌত্তলিক পুরোহিত হিসেবে অভিযুক্ত করত।
তারা এটা বিশ্বাসই করত না যে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত ল্যাম্পটি
জ্বলতে পারে। বরঞ্চ তারা এর জন্য শয়তানকেই দায়ী করত।
আরেকটি বিশ্বাস সেসময় প্রচলিত ছিল যে হিব্রু সম্প্রদায়ের মানুষজন বর্তমান দিনের এই বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছিলেন। সেসময় জেসিলি নামে একজন ফরাসি ইহুদি এমনই একটি বাতি আবিষ্কার করেন যেটি কোনো প্রকার জ্বালানি ছাড়াই আলো জ্বালাতে সহায়ক। আর সেই বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়েই তিনি একটি বিশেষ বোতাম আবিষ্কার করেন যেটিতে তিনি কিছু বিদ্যুৎ সংযোজন করেন এবং তা একটি মেটালের দরজার সাথে যুক্ত করে দেন। এর ফলে যেই ব্যক্তিই ঐ দরজাটি স্পর্শ করত সেই বিদ্যুতের শক খেত। প্রজ্জ্বলিত সেই ল্যাম্পের ধারণা থেকেই আজকের এই বিদ্যুৎ আবিষ্কৃত হয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করেন। কিন্তু সবার মনে ল্যাম্পটি সম্পর্কে এখনও একটি প্রশ্নই রয়েছে যে হাজার হাজার বছর ধরে ল্যাম্পটি কোনো প্রকার জ্বালানি ছাড়া কিভাবে জ্বলতে পারে?
২. জলন্ত ল্যাম্প :
মধ্যযুগে এমন একটি ল্যাম্প আবিষ্কৃত হয় যেটি কোনো ধরনের জ্বালানি ছাড়াই নিজে নিজেই জ্বলতে সহায়ক। এই ধরনের ল্যাম্পগুলো সাধারণত সমাধিক্ষেত্রে প্রজ্জ্বলিত করা হত যেন ল্যাম্পের আলোটি মৃত ব্যক্তিটিকে তার মৃত্যুপরবর্তী জীবনে পথ দেখাতে সাহায্য করে। কিন্তু তাজ্জব করা ঘটনা এখানেই যে অনেক বছর পরেও সমাধিতে ল্যাম্পগুলো জ্বলন্ত অবস্থায় দেখা যেত।আরেকটি বিশ্বাস সেসময় প্রচলিত ছিল যে হিব্রু সম্প্রদায়ের মানুষজন বর্তমান দিনের এই বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছিলেন। সেসময় জেসিলি নামে একজন ফরাসি ইহুদি এমনই একটি বাতি আবিষ্কার করেন যেটি কোনো প্রকার জ্বালানি ছাড়াই আলো জ্বালাতে সহায়ক। আর সেই বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়েই তিনি একটি বিশেষ বোতাম আবিষ্কার করেন যেটিতে তিনি কিছু বিদ্যুৎ সংযোজন করেন এবং তা একটি মেটালের দরজার সাথে যুক্ত করে দেন। এর ফলে যেই ব্যক্তিই ঐ দরজাটি স্পর্শ করত সেই বিদ্যুতের শক খেত। প্রজ্জ্বলিত সেই ল্যাম্পের ধারণা থেকেই আজকের এই বিদ্যুৎ আবিষ্কৃত হয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করেন। কিন্তু সবার মনে ল্যাম্পটি সম্পর্কে এখনও একটি প্রশ্নই রয়েছে যে হাজার হাজার বছর ধরে ল্যাম্পটি কোনো প্রকার জ্বালানি ছাড়া কিভাবে জ্বলতে পারে?
No comments:
Post a Comment